সমস্যা ০১

সমস্যা : ভাজ্য ও ভাজক দেয়া থাকবে। যোগ , ভাগ , গুন্ , মডুলাস চিহ্ন ব্যবহার না করে ভাগফল নির্ণয় করতে হবে !

সমাধান :

সমস্যাটিতে যা বলা হয়েছে তা হলো , আপনাকে একটি সংখ্যা দিয়ে আরেকটি সংখ্যা ভাগ করতে হবে কিন্তু শর্ত হলো আপনি যোগ ,গুন্ , ভাগ ও মডুলাস চিহ্ন ব্যবহার করতে পারবেন না । যোগ ,গুন্ , ভাগ ও মডুলাস ছাড়া আপনার হাতে শুধুমাত্র বিয়োগ অপারেশন টি বাকি আছে । তার মানে আপনাকে বিয়োগ করে সমাধান করতে হবে।

আসুন সমাধানের দিকে আসা যাক

আমরা যখন কোনো কিছু গুন্ করি তা আসলে একপ্রকার যোগ।
যেমন: ৩*৪=১২

এটা কিন্তু যোগ করেও করা যায়। এখানে ৩ কে ৪ বার যোগ বা ৪ কে ৩ বার যোগ করলেই ১২ পাবো। অর্থাৎ ৩+৩+৩+৩=১২ অথবা ৪+৪+৪=১২ ।
তার মানে যা বোঝা গেলো তা হলো গুন্ না করেও আসলে আমরা গুন্ করতে পারি। ঠিক এক ই ভাবে ভাগ না করেও আমরা ভাগ করতে পারি ।
যেমন: ১২/৩=৪ এর মানে হলো ১২/৩=৪ এর মানে হলো ১২ থেকে ৩ কে কতবার বিয়োগ করা যায় । অর্থাৎ ১২ থেকে ৩ যতবার বিয়োগ করা যায় আমাদের ভাগফল তত হবে !

১২-৩=৯ [১ বার]
৯-৩=৬ [২ বার ]
৬-৩=৩ [৩ বার]
৩-৩=০ [৪ বার]

৪ বারের পর আর বিয়োগ করা যাচ্ছেনা | এখন প্রশ্ন হলো বিয়োগ তো করা যেতেই পারতো । নিগেটিভ অসীম পর্যন্ত তো বিয়োগ করলে কি এমন ক্ষতি হতো?

তাহলে ঠিক কতবার বিয়োগ করলে আমরা ভাগফল পাবো?

উত্তরটা খুব ই সহজ, যতক্ষণ না আমাদের বিয়োগফলটি ভাজকের ছোট হবে ততোক্ষন আমরা ভাজ্য=ভাজ্য-ভাজক ; করতে থাকবো । সুতরাং এখানে ভাগফল হবে ৪।

তার মানে আমরা ভাগ ,গুন্, মডুলাস চিহ্ন ব্যবহার না করেই ভাগফল বের করতে পারি। এখন এই কাজটি আমরা কোড এ করবো কিভাবে??

কোড করতে গেলে আমাদের ভাবতে হবে কিভাবে আমরা থিওরিটিক্যালি এই কাজ টা করেছি। আমরা ১২ থেকে ৩ বিয়োগ দিয়ে যে ফলাফল পেয়েছি তা থেকে আবার ৩ কে বিয়োগ দিয়েছি । এভাবে কতক্ষন বিয়োগ দিয়েছি? উত্তর হলো যতক্ষণ না বিয়োগফল ৩ এর থেকে ছোট হয়েছে। তার মানে আমাদের এই কাজটি ততক্ষন পর্যন্ত করা যাবে যতক্ষণ বিয়োগফল ৩ এর বেশি বা সমান থাকবে।






}


এইবার যদি আমাদের একই পদ্ধতিতে ভাগশেষ নির্ণয় করতে বলা হয় তাহলে ঠিক একই কোড ব্যবহার করে আমরা ভাগশেষও নির্ণয় করতে পারবো .....!!

Popular posts from this blog

ফ্রাকশনাল ন‍্যাপস‍্যাক ( ব্রুটফোর্স মেথড )

অ্যারে ডাটাস্ট্রাকচার