মনে করুন আপনার কাছে বেশ কয়েকদিন ধরে কোনো টাকা পয়সা নেই (মাসের শেষের দিক ) ! এদিকে আপনার বন্ধুর আবার টাকা পয়সার অভাব নেই (বন্ধুর বাপের অনেক টাকা :P ) । আপনি আপনার বন্ধুর কাছে টাকা ধার চাইলেন আর সে কিনা ঘাড় বাঁকা করে চলে গেলো । আপনারতো রাগ উঠে গেলো .. !! রেগেমেগে আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন কোনো এক শপিংমলে চুরি করবেন। যেমনি বলা অমনি কাজ , আপনি করলেন কি রাতের বেলা একটা ব্যাগ নিয়ে শপিংমলে ঢুকে গেলেন । ( সি সি ক্যামেরা নাই :P ) । গিয়ে দেখলেন আপনার আগেই অন্য একটা চোর সম্পূর্ণ কেনা যায় এমন ((টুথপেস্ট,ব্রাশ,শেম্পু,সাবান,নুডলস ইত্যাদি ইত্যাদি :D :D ) সব জিনিস চুরি করে নিয়ে গেছে । আপনার ভাগ্যে আছে (ডাল,ময়দা,আলু,পটোল ইত্যাদি ইত্যাদি ) | মনে করুন : ৫ কেজি ডাল ৬০০ টাকা ৭ কেজি ময়দা ৭০০ টাকা ৬ কেজি আলু ২৪০ টাকা ৯ কেজি পটল ২৭০ টাকা কিন্তু সমস্যাটা তৈরী হলো এখন। আপনার ব্যাগের লিমিট ১৫ কেজি। সুতরাং আপনি চাচ্ছেন এমন কিছু জিনিস নিতে যাতে আপনার বাগটিও খালি না ...
সমস্যা : ভাজ্য ও ভাজক দেয়া থাকবে। যোগ , ভাগ , গুন্ , মডুলাস চিহ্ন ব্যবহার না করে ভাগফল নির্ণয় করতে হবে ! সমাধান : সমস্যাটিতে যা বলা হয়েছে তা হলো , আপনাকে একটি সংখ্যা দিয়ে আরেকটি সংখ্যা ভাগ করতে হবে কিন্তু শর্ত হলো আপনি যোগ ,গুন্ , ভাগ ও মডুলাস চিহ্ন ব্যবহার করতে পারবেন না । যোগ ,গুন্ , ভাগ ও মডুলাস ছাড়া আপনার হাতে শুধুমাত্র বিয়োগ অপারেশন টি বাকি আছে । তার মানে আপনাকে বিয়োগ করে সমাধান করতে হবে। আসুন সমাধানের দিকে আসা যাক আমরা যখন কোনো কিছু গুন্ করি তা আসলে একপ্রকার যোগ। যেমন: ৩*৪=১২ এটা কিন্তু যোগ করেও করা যায়। এখানে ৩ কে ৪ বার যোগ বা ৪ কে ৩ বার যোগ করলেই ১২ পাবো। অর্থাৎ ৩+৩+৩+৩=১২ অথবা ৪+৪+৪=১২ । তার মানে যা বোঝা গেলো তা হলো গুন্ না করেও আসলে আমরা গুন্ করতে পারি। ঠিক এক ই ভাবে ভাগ না করেও আমরা ভাগ করতে পারি । যেমন: ১২/৩=৪ এর মানে হলো ১২/৩=৪ এর মানে হলো ১২ থেকে ৩ কে কতবার বিয়োগ করা যায় । অর্থাৎ ১২ থেকে ৩ যতবার বিয়োগ করা যায় আমাদের ভাগফল তত হবে ! ১২-৩=৯ [১ বার] ৯-৩=৬ [২ বার ] ৬-৩=৩ [৩ বার] ৩-৩=০ [৪ বার] ৪ বারের পর আর বিয়োগ করা যাচ্ছেনা | এখন প্রশ্ন হলো বিয়োগ তো ...
তোমাকে যদি তোমার ক্লাসের সকলের ডাটাস্ট্রাকচার বিষয়ে প্রাপ্ত মার্ক সংরক্ষণ রাখতে বলা হয় তাহলে তুমি কি করবে? তুমি যদি প্রোগ্রামিং এ একদম নতুন হয়ে থাকো এবং অ্যারে সম্পর্কে না জানো তবে তবে তোমার ভ্যারিয়েবল ডিক্লিয়ারেশন হবে অনেকটা এরকম। double data1,data2,data3,data4.........datan; অর্থাৎ তুমি যেটা করবে তোমার ব্যাচের স্টুডেন্টের সংখ্যা অনুযায়ী ভ্যারিয়েবল ডিক্লিয়ার করবে । কিন্তু এই কাজটি তুমি অতি সহজে অ্যারে ডাটাস্ট্রাকচার ব্যবহারের মাধ্যমে করতে পারো । অ্যারে ডিক্লিয়ারেশন : int ara[5]; এভাবে আমরা একটি অ্যারে ডিক্লেয়ার করতে পারি, যেখানে অ্যারে নাম হচ্ছে ara, যেটিতে কেবল ইন্টিজার টাইপের ডাটা থাকবে আর এই অ্যারেতে মোট পাঁচটি সংখ্যা রাখা যাবে। প্রথমটি হচ্ছে ara[0] (কারণ অ্যারে ইনডেক্স ০ (শূন্য) থেকে শুরু হয় ), দ্বিতীয়টি ara[1], তৃতীয়টি ara[2], এভাবে পঞ্চম সংখ্যাটি হচ্ছে ara[4] (কারণ অ্যারে ইনডেক্স n-1 এ শেষ হয়, এখানে n=5) । অর্থাৎ, ara[i] হচ্ছে i+1তম উপাদান| অ্যারেতে আমাদের আগে থেকে বলে দিতে হয় কয়টি ডাটা আমরা রাখবো । যেমন: ৪৫ জন স্টুডেন্টের ডাটাস্ট্রাকচার বিষয়ে ...